Cart

Best Seller

ঈশ্বর ধর্ম বিশ্বাস

Availability: In stock

৳ 200.00 ৳ 160.00

Ck¦i Av‡Qb Kx †bB? G cÖkœ gvbyl‡K Av‡jvwoZ Ki‡e AviI eহুকাল, যত দিন না ভিনগ্রহের কোনো প্রাণীর সাথে মানুষের দেখা হয়, অথবা একদা-মৃত কোনো মানুষ পৃথিবীতে ফিরে এসে নিজের পরলোক-ভ্রমণ-কাহিনি লিখে উঠতে পারেন। ব্রেখটের গোদোর মতো সেই শুভক্ষণের অপেক্ষা না করে বর্তমান পুস্তকের প্রথম প্রবন্ধে ‘সেমিওলজি’ নামক শাস্ত্রের আলোকে ঈশ্বরের অস্তিত্ব-অনস্তিত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। দ্বিতীয় প্রবন্ধে হিন্দু দর্শনের আলোকে ধর্মের স্বরূপ নিয়ে আলোচনা আছে। তৃতীয় প্রবন্ধে ইসলামের দৃষ্টিতে ম–র্তিনির্মাণের বৈধতা-অবৈধতার প্রসঙ্গ এসেছে এবং ধর্মান্ধতা ও জাতীয়তাবাদের দ্বন্দ্বের স্বরূপ উদঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে। চতুর্থ প্রবন্ধে দেখানো হয়েছে কিভাবে বহু প্রাচীন প্যাগান সমাজে প্রচলিত বৃড়্গপ–জা খ্রিস্টীয় ভাবধারার অনুসারী সমাজে ‘খ্রিসমাস ট্রি’ প্রথায় রূপান্ত্মরিত হয়েছে এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী সমাজেও এই প্রথা ক্রমান্বয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। পঞ্চম প্রবন্ধে হিন্দু ধর্মের একাধিক ধর্মগ্রন্থ ও পুরাণে উলেস্নখিত ‘শক্তি’ নামক দেবীর বিভিন্ন জন্ম ও পুনর্জন্মের কাহিনি বৈঠকি ভঙ্গিতে বর্ণনা করা হয়েছে। ষষ্ঠ প্রবন্ধে বাংলাদেশের কোনো এক মাজারে কোনো এক বাবার ওরশের বর্ণনার মোড়কে মানব-মনের বিশ্বাস-বৈচিত্র্যের পক্ষে সযুক্তি সওয়াল উপস্থাপন করেছি। সপ্তম প্রবন্ধে বৈদিক যুগ থেকে সনাতন হিন্দুদর্শনের বিকাশের একটি নাতিদীর্ঘ বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ঈশ্বর-ধর্ম-বিশ্বাস কে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার চেষ্টা করা হয়েছে বর্তমান পুস্তকে।
ঈশ্বর যদি সর্বশক্তিমান হয়ে থাকেন তবে দড়িতে এমন কোনো গিঁট কি তিনি দিতে পারেন যা তার নিজেরও খোলার ড়্গমতা নেই? ঈশ্বরের কি অতীতকাল পরিবর্তন করার কোনো ড়্গমতা আছে? ঈশ্বর কি সব দেখেন? এই প্রশ্নগুলোতে মানুষের যাবতীয় গুণ, যেমন, ‘পাচার করা’, গিঁট খোলা’, ‘সব দেখা’… ঈশ্বরের উপর আরোপ করা হচ্ছে। ঈশ্বর কাউকে কোথাও পাঠাতে পারেন কি পারেন না, সব দেখার ক্ষমতা আছে কি নেই? এসব প্রশ্ন অবান্তর। আমি যদি বলি, আমাদের ভুলো কুকুরটা ওদের পুসি বিড়ালটাকে ই-মেল করেছে, তবে আপনি নিশ্চয়ই অবাক হবেন, কারণ আপনি ভালো করেই জানেন, ভুলো বা পুসির পক্ষে ইলেক্ট্রনিক মেলামেশা সম্ভব নয়। ‘ভুলো’, ‘পুসি’ বা ‘ঈশ্বর’ এরা কেউই মানুষের ক্যাটাগরিতে পড়েন না। সুতরাং মানুষের গুণাবলী এদের কারও মধ্যেই থাকবে না ‒ এটাই স্বাভাবিক। সৃষ্টিশীলতা মানুষের স্বভাবগত একটি গুণ। মানুষ ছাড়া অন্য কোনো প্রাণীর এই গুণটি নেই। মানুষ যখন ঈশ্বরকে ‘সৃষ্টিকর্তা’ বলে তখন সে নিজের সৃষ্টিশীলতার গুণটি ঈশ্বরের উপর আরোপ করে

Quantity :
Compare

শিশির ভট্টাচার্য্যের জন্ম ১৯৬৩ সালে, চট্টগ্রামে। প্যারিসের সরবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভারততত্ত্ব (১৯৮৫-১৯৮৮) ও ভাষাবিজ্ঞানে (১৯৯২-১৯৯৫) স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন। মন্ট্রিয়ল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পি.এইচ.ডি. (২০০৭) করার পর টোকিওর রাষ্ট্রভাষা ইনস্টিটিউটে পোস্টডক্টরেট গবেষণা (২০০৮-১০) সমাপ্ত করেছেন। পেশায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ফরাসি ভাষার শিড়্গক। মুখ্য নেশা বাংলা ব্যাকরণ চর্চা ও ভাষাবিজ্ঞানের পাঠদান। গৌণ নেশা অনুবাদ, ফরাসি থেকে বাংলা। ভাষা ও ব্যাকরণসহ বহু বিচিত্র বিষয়ে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্ত্মর্জাতিক জার্নাল ও লিটল ম্যাগাজিনে খান চলিস্নশেক প্রবন্ধ। প্রকাশিত পুসত্মক: আপোলিন্যারের কবিতা (১৯৯০), র্যাঁবোর কবিতা (১৯৯১, পুনঃপ্রকাশ: ২০১৪), Bhagwan et son monde orange (১৯৯১), জীবনানন্দের কবিতার ফরাসি অনুবাদ (১৯৯১), সঞ্জননী ব্যাকরণ (১৯৯৮), জার্মানি থেকে প্রকাশিত Word Formation in Bengali : A Whole Word Morphological Description and its Theoretical Implication (2007) এবং অন্ত্মরঙ্গ ব্যাকরণ (২০১৩)।
আলোকচিত্র: জহিরম্নল হক মজুমদার

Ck¦i Av‡Qb Kx †bB? G cÖkœ gvbyl‡K Av‡jvwoZ Ki‡e AviI eহুকাল, যত দিন না ভিনগ্রহের কোনো প্রাণীর সাথে মানুষের দেখা হয়, অথবা একদা-মৃত কোনো মানুষ পৃথিবীতে ফিরে এসে নিজের পরলোক-ভ্রমণ-কাহিনি লিখে উঠতে পারেন। ব্রেখটের গোদোর মতো সেই শুভক্ষণের অপেক্ষা না করে বর্তমান পুস্তকের প্রথম প্রবন্ধে ‘সেমিওলজি’ নামক শাস্ত্রের আলোকে ঈশ্বরের অস্তিত্ব-অনস্তিত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। দ্বিতীয় প্রবন্ধে হিন্দু দর্শনের আলোকে ধর্মের স্বরূপ নিয়ে আলোচনা আছে। তৃতীয় প্রবন্ধে ইসলামের দৃষ্টিতে ম–র্তিনির্মাণের বৈধতা-অবৈধতার প্রসঙ্গ এসেছে এবং ধর্মান্ধতা ও জাতীয়তাবাদের দ্বন্দ্বের স্বরূপ উদঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে। চতুর্থ প্রবন্ধে দেখানো হয়েছে কিভাবে বহু প্রাচীন প্যাগান সমাজে প্রচলিত বৃড়্গপ–জা খ্রিস্টীয় ভাবধারার অনুসারী সমাজে ‘খ্রিসমাস ট্রি’ প্রথায় রূপান্ত্মরিত হয়েছে এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী সমাজেও এই প্রথা ক্রমান্বয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। পঞ্চম প্রবন্ধে হিন্দু ধর্মের একাধিক ধর্মগ্রন্থ ও পুরাণে উলেস্নখিত ‘শক্তি’ নামক দেবীর বিভিন্ন জন্ম ও পুনর্জন্মের কাহিনি বৈঠকি ভঙ্গিতে বর্ণনা করা হয়েছে। ষষ্ঠ প্রবন্ধে বাংলাদেশের কোনো এক মাজারে কোনো এক বাবার ওরশের বর্ণনার মোড়কে মানব-মনের বিশ্বাস-বৈচিত্র্যের পক্ষে সযুক্তি সওয়াল উপস্থাপন করেছি। সপ্তম প্রবন্ধে বৈদিক যুগ থেকে সনাতন হিন্দুদর্শনের বিকাশের একটি নাতিদীর্ঘ বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ঈশ্বর-ধর্ম-বিশ্বাস কে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার চেষ্টা করা হয়েছে বর্তমান পুস্তকে।
ঈশ্বর যদি সর্বশক্তিমান হয়ে থাকেন তবে দড়িতে এমন কোনো গিঁট কি তিনি দিতে পারেন যা তার নিজেরও খোলার ড়্গমতা নেই? ঈশ্বরের কি অতীতকাল পরিবর্তন করার কোনো ড়্গমতা আছে? ঈশ্বর কি সব দেখেন? এই প্রশ্নগুলোতে মানুষের যাবতীয় গুণ, যেমন, ‘পাচার করা’, গিঁট খোলা’, ‘সব দেখা’… ঈশ্বরের উপর আরোপ করা হচ্ছে। ঈশ্বর কাউকে কোথাও পাঠাতে পারেন কি পারেন না, সব দেখার ক্ষমতা আছে কি নেই? এসব প্রশ্ন অবান্তর। আমি যদি বলি, আমাদের ভুলো কুকুরটা ওদের পুসি বিড়ালটাকে ই-মেল করেছে, তবে আপনি নিশ্চয়ই অবাক হবেন, কারণ আপনি ভালো করেই জানেন, ভুলো বা পুসির পক্ষে ইলেক্ট্রনিক মেলামেশা সম্ভব নয়। ‘ভুলো’, ‘পুসি’ বা ‘ঈশ্বর’ এরা কেউই মানুষের ক্যাটাগরিতে পড়েন না। সুতরাং মানুষের গুণাবলী এদের কারও মধ্যেই থাকবে না ‒ এটাই স্বাভাবিক। সৃষ্টিশীলতা মানুষের স্বভাবগত একটি গুণ। মানুষ ছাড়া অন্য কোনো প্রাণীর এই গুণটি নেই। মানুষ যখন ঈশ্বরকে ‘সৃষ্টিকর্তা’ বলে তখন সে নিজের সৃষ্টিশীলতার গুণটি ঈশ্বরের উপর আরোপ করে

ISBN-13:

978-984-8875-74-2

Publisher:

Adarsha

Pages:

112

Publication Year:

2015

Dimensions:

8.5×5.5×0.6 inch

Language:

Bengali

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “ঈশ্বর ধর্ম বিশ্বাস”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading...