Cart

Best Seller

গল্পে স্বল্পে প্রোগ্রামিং

Availability: In stock

৳ 200.00 ৳ 160.00

‘প্রোগ্রামিং প্রমাণ করে ব্যক্তিটির বিশ্লেষণী ক্ষমতা আছে, ধৈর্য আছে, একাগ্রতা আছে, ইচ্ছা আছে; সর্বোপরি সমস্যা সমাধান করার সক্ষমতা আছে। অতএব প্রোগ্রামারের লেখা প্রোগ্রামটিই তার সার্টিফিকেট। মাইক্রোসফট, গুগল কিংবা ফেসবুকের মতো বড় কোম্পানির জন্য কাজ করেন এ রকম অনেকেই আছেন, যাদের কখনোই কোনো সার্টিফিকেট ছিল না; অসংখ্য ছোট ছোট কোম্পানির কথা তো বাদই দিলাম। অতএব কারও কাছ থেকে সার্টিফিকেট পাওয়ার চেয়ে, নিজের কাছ থেকেই নিজের সার্টিফিকেট অর্জন করা গুরুত্বপূর্ণ। আত্মবিশ্বাসের চেয়ে বড় কোনো সার্টিফিকেট নেই।’

‘একবার এক মা তার প্রোগ্রামার ছেলেকে দোকানে পাঠিয়েছে ডিম কিনে আনার জন্য। মা বলে দিয়েছেন, পুত্র, তুমি যখন বাইরে থাকবে, তখন বাসার জন্য ডিম কিনো। মায়ের সে প্রোগ্রামার ছেলে আর কোনো দিন বাসায় ফিরে আসেনি। কেন ফিরে আসেনি, সেটা বুঝতে হলে প্রোগ্রামিংয়ে ব্যবহৃত লুপের ধারণা থাকা প্রয়োজন।’

‘প্রোগ্রামিং চিন্তা করতে শেখায়, যৌক্তিক হতে শেখায়, কোন অবস্থায় কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে, কোন কোন দিকে নজর রাখতে হবে, তা নিয়ে ভাবতে শেখায়। প্রোগ্রামিংয়ের সবচেয়ে বড় আনন্দ সৃষ্টিশীলতার আনন্দ, নিজের কল্পনায় থাকা যৌক্তিক চিন্তাধারাকে মনের মতো করে অনবদ্য এক বাস্তবে রূপ দেওয়ার আনন্দ।’

-গল্পে স্বল্পে প্রোগ্রামিং, ফেব্রুয়ারি ২০১৭

Quantity :
Compare

মইনুল রাজু
জন্ম ৫ নভেম্বর, ১৯৮১
মইনুল রাজুর জন্ম নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ছোট্ট-সুন্দর এক লোকালয় বামনীতে। সেখানকার বামনী উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শেষ করে চলে আসেন ঢাকায়। নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটারবিজ্ঞান বিভাগে।
অনার্স-মাস্টার্স শেষে কিছুদিন কাজ করেন বাংলাদেশের সফটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিতে। এরপর শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউট, আইআইটিতে। কম্পিউটারবিজ্ঞানেই পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় অ্যাট শিকাগো থেকে।
পিএইচডির সুবাদে মইনুল রাজুর কাজ করার সুযোগ হয় অ্যাক্সেনচিউর এবং মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানিগুলোতে। মাইক্রোসফটের প্রধান শাখা রেডমন্ডে থেকেই সুযোগ হয়েছিল ‘মাইক্রোসফট অফিস’ কিংবা ‘উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম’-এর মতো বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যারের ডেভলপমেন্ট প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার।
বর্তমানে তিনি বাংলা ভাষার জন্য তথ্যপ্রযুক্তি কীভাবে সুফল বয়ে নিয়ে আসতে পারে এবং মেশিন লার্নিং ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কার্যকরী ব্যবহার নিয়ে কাজ করছেন। এ ছাড়া শখের বশে কাজ করছেন সাইবার সিকিউরিটি সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে।
কম্পিউটার প্রকৌশলী স্ত্রী সুমাইয়া সায়েদ, দুই সন্তান বাবুই ও তরুকে নিয়ে বসবাস করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী শহীদুল্লাহ হলের শিক্ষক কোয়ার্টারে।

লেখকের সাথে যোগাযোগ–
ই-মেইল : mainul.raju@yahoo.com
ফেসবুক : fb.com/mainul.raju

‘প্রোগ্রামিং প্রমাণ করে ব্যক্তিটির বিশ্লেষণী ক্ষমতা আছে, ধৈর্য আছে, একাগ্রতা আছে, ইচ্ছা আছে; সর্বোপরি সমস্যা সমাধান করার সক্ষমতা আছে। অতএব প্রোগ্রামারের লেখা প্রোগ্রামটিই তার সার্টিফিকেট। মাইক্রোসফট, গুগল কিংবা ফেসবুকের মতো বড় কোম্পানির জন্য কাজ করেন এ রকম অনেকেই আছেন, যাদের কখনোই কোনো সার্টিফিকেট ছিল না; অসংখ্য ছোট ছোট কোম্পানির কথা তো বাদই দিলাম। অতএব কারও কাছ থেকে সার্টিফিকেট পাওয়ার চেয়ে, নিজের কাছ থেকেই নিজের সার্টিফিকেট অর্জন করা গুরুত্বপূর্ণ। আত্মবিশ্বাসের চেয়ে বড় কোনো সার্টিফিকেট নেই।’

‘একবার এক মা তার প্রোগ্রামার ছেলেকে দোকানে পাঠিয়েছে ডিম কিনে আনার জন্য। মা বলে দিয়েছেন, পুত্র, তুমি যখন বাইরে থাকবে, তখন বাসার জন্য ডিম কিনো। মায়ের সে প্রোগ্রামার ছেলে আর কোনো দিন বাসায় ফিরে আসেনি। কেন ফিরে আসেনি, সেটা বুঝতে হলে প্রোগ্রামিংয়ে ব্যবহৃত লুপের ধারণা থাকা প্রয়োজন।’

‘প্রোগ্রামিং চিন্তা করতে শেখায়, যৌক্তিক হতে শেখায়, কোন অবস্থায় কোন কোন বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে, কোন কোন দিকে নজর রাখতে হবে, তা নিয়ে ভাবতে শেখায়। প্রোগ্রামিংয়ের সবচেয়ে বড় আনন্দ সৃষ্টিশীলতার আনন্দ, নিজের কল্পনায় থাকা যৌক্তিক চিন্তাধারাকে মনের মতো করে অনবদ্য এক বাস্তবে রূপ দেওয়ার আনন্দ।’

-গল্পে স্বল্পে প্রোগ্রামিং, ফেব্রুয়ারি ২০১৭

ISBN-13:

978-984-92660-5-1

Publisher:

Adarsha

Pages:

112

Publication Year:

2017

Dimensions:

8.5×5.5×0.6 inch

Language:

Bengali

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “গল্পে স্বল্পে প্রোগ্রামিং”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading...