Cart

Best Seller

ট্রাজেডি অব আরব স্প্রিং

Availability: In stock

৳ 300.00 ৳ 240.00

‘ট্র্যাজেডি অব আরব স্প্রিং’-এর অধিকাংশ লেখা আরবকে নিয়ে। মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনাবলির পাশাপাশি ইউরোপ-আমেরিকা, দক্ষিণ এশিয়া-বিষয়ক কিছু লেখা এই বইতে স্থান পেয়েছে। আরবের জ্বালানি সম্পদই আরবের সব সংকটের মূল। পশ্চিমা সভ্যতা জ্বালানি ছাড়া অচল। প্রাকৃতিক কারণেই তাদের জনজীবনও জ্বালানি নির্ভর। জ্বালানি না হলে পশ্চিমা বিশ্বের জনজীবন বিধ্বস্ত হয়ে যাবে। জ্বালানির সুরক্ষার জন্যই পশ্চিমা বিশ্ব সম্পূর্ণ মধ্যপ্রাচ্যকে কখনও স্থিতিশীল হতে দেয়নি। আমেরিকা ইসরাইল রাষ্ট্রটিকে ভর্তুকি দিয়ে টিকিয়ে রাখছে শুধু এ কারণে।

সারা বিশ্বের জ্বালানির ২৫% প্রয়োজন আমেরিকার। অথচ তার তহবিলে জ্বালানি রয়েছে মাত্র ৩%। অবশিষ্ট জ্বালানির জন্য তাকে নির্ভর করতে হয় মধ্যপ্রাচ্য, ভেনেজুয়ালা ও নাইজিরিয়ার উপর। আপদকালীন সময়ের জন্য তার মজুদ স্টকে ১৭০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি তেল রয়েছে। দৈনিক ৮০ কোটি ডলারের তেল প্রয়োজন হয় আমেরিকার। বর্তমান গ্রন্থে এ বিষয়ে অনেক কিছু আলোচনা রয়েছে। আরব স্প্রিংয়ের পেছনে রয়েছে আমেরিকার ইন্ধন, আরব স্প্রিং ট্রাজেডিতেও তার অবদান ষোল আনা। মধ্যপ্রাচ্যকে নিয়ে আমেরিকার খেলার কোনো শেষ নেই। ইসলামিক স্টেট তারই সৃষ্টি। শিয়া-সুন্নি বিরোধ-তারই প্রচেষ্টার ফল। মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমানেরা যদি সচেতন না হয় তবে তাদের বরাতে আরো দুঃখ আছে। গ্রন্থটিতে একজন অনুসন্ধানী সচেতন সাংবাদিকের অন্তর্দৃষ্টি ধরা পড়েছে

Quantity :
Compare

আনিস আলমগীর, সাংবাদিক এবং সাংবাদিকতার শিক্ষক হিসেবেই পরিচিত। ইরাক এবং আফগান যুদ্ধে সংবাদ সংগ্রহের কারণে বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র যুদ্ধ সংবাদদাতা হিসেবেও তার সুখ্যাতি রয়েছে। সাংবাদিকতার প্রায় সবক্ষেত্রে বিচরণ করলেও পরিচিতি পেয়েছেন কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে। দীর্ঘদিন আজকের কাগজ, দি ইন্ডিপেনডেন্ট পত্রিকায় কূটনৈতিক সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করেছেন। টিভি সাংবাদিকতা শুরু চ্যানেল আই-এর কূটনৈতিক সংবাদদাতা এবং বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে।

কাজ করেছেন বৈশাখী এবং আরটিভির বার্তাপ্রধান হিসেবেও। বর্তমানে এশিয়ান টেলিভিশনের বার্তাপ্রধান হিসেবে নিয়োজিত আছেন। টকশো উপস্থাপক এবং কলাম লেখক হিসেবেও তিনি খ্যাতিমান। সাংবাদিকতার কাজে ভ্রমণ করেছেন প্রায় ২৫টি রাষ্ট্র। সাংবাদিকতার পাশাপাশি গত আট বছর ধরে আনিস আলমগীর শিক্ষকতা পেশায় জড়িত রয়েছেন। টানা সাত বছর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউল্যাব-এ শিক্ষকতার পর বর্তমানে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াচ্ছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতায় গ্রাজুয়েট আনিস আলমগীরের জন্ম চট্টগ্রামে। প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ‘ইরাক রণাঙ্গনে

‘ট্র্যাজেডি অব আরব স্প্রিং’-এর অধিকাংশ লেখা আরবকে নিয়ে। মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনাবলির পাশাপাশি ইউরোপ-আমেরিকা, দক্ষিণ এশিয়া-বিষয়ক কিছু লেখা এই বইতে স্থান পেয়েছে। আরবের জ্বালানি সম্পদই আরবের সব সংকটের মূল। পশ্চিমা সভ্যতা জ্বালানি ছাড়া অচল। প্রাকৃতিক কারণেই তাদের জনজীবনও জ্বালানি নির্ভর। জ্বালানি না হলে পশ্চিমা বিশ্বের জনজীবন বিধ্বস্ত হয়ে যাবে। জ্বালানির সুরক্ষার জন্যই পশ্চিমা বিশ্ব সম্পূর্ণ মধ্যপ্রাচ্যকে কখনও স্থিতিশীল হতে দেয়নি। আমেরিকা ইসরাইল রাষ্ট্রটিকে ভর্তুকি দিয়ে টিকিয়ে রাখছে শুধু এ কারণে।

সারা বিশ্বের জ্বালানির ২৫% প্রয়োজন আমেরিকার। অথচ তার তহবিলে জ্বালানি রয়েছে মাত্র ৩%। অবশিষ্ট জ্বালানির জন্য তাকে নির্ভর করতে হয় মধ্যপ্রাচ্য, ভেনেজুয়ালা ও নাইজিরিয়ার উপর। আপদকালীন সময়ের জন্য তার মজুদ স্টকে ১৭০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি তেল রয়েছে। দৈনিক ৮০ কোটি ডলারের তেল প্রয়োজন হয় আমেরিকার। বর্তমান গ্রন্থে এ বিষয়ে অনেক কিছু আলোচনা রয়েছে। আরব স্প্রিংয়ের পেছনে রয়েছে আমেরিকার ইন্ধন, আরব স্প্রিং ট্রাজেডিতেও তার অবদান ষোল আনা। মধ্যপ্রাচ্যকে নিয়ে আমেরিকার খেলার কোনো শেষ নেই। ইসলামিক স্টেট তারই সৃষ্টি। শিয়া-সুন্নি বিরোধ-তারই প্রচেষ্টার ফল। মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমানেরা যদি সচেতন না হয় তবে তাদের বরাতে আরো দুঃখ আছে।

গ্রন্থটিতে একজন অনুসন্ধানী সচেতন সাংবাদিকের অন্তর্দৃষ্টি ধরা পড়েছে

ISBN-13:

978-984-92067-1-2

Publisher:

Adarsha

Pages:

168

Publication Year:

2016

Dimensions:

8.5×5.5×0.6 inch

Language:

Bengali

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “ট্রাজেডি অব আরব স্প্রিং”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading...