Cart

Best Seller

তোমাকেই খুঁজছে সেনাবাহিনী

Availability: In stock

৳ 200.00 ৳ 160.00

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ বিশ্বের অন্যতম পেশাদার সেনাবাহিনী হিসেবে স্বীকৃত। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয়া এ সেনাবাহিনী আজ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে প্রধান অংশগ্রহনকারী। নিয়মিত সেনাসদস্যদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষন প্রদানের মাধ্যমে আজ আমাদের সেনাবাহিনী এই আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করেছে। কিন্তু পরিচর্যা যত উন্নতই হোক না কেন, সঠিক জাতের বীজ যদি নির্বাচন করা না হয় তাহলে ফলন যেমন কখনই ভাল হয় না; তেমনি খুব দুর্বল রিক্রুট কে যত উন্নত প্রশিক্ষনই দেয়া হোক না কেন তাকে আদর্শ পেশাদার সৈনিকে পরিনত করা অসম্ভব। তাই যে কোন পেশার মতই সেনাবাহিনীতেও রিক্রুটিং একটি অতীব গুরুত্বপুর্ন বিষয়।

সেনাবাহিনী যেকোন রাস্ট্রের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বের অন্যতম রক্ষাকবচ। রাস্ট্রের অস্তিত্ব যখন সংকটে, তখন শ্রেনী-পেশা নির্বিশেষে সবাই হয়ত একসময় দেশরক্ষার যুদ্ধে অংশগ্রহন করতে এগিয়ে আসে। কিন্তু পেশাগতভাবে একমাত্র সেনাসদস্যরাই প্রতিনিয়ত মাতৃভুমি রক্ষার জন্য নিজেদের প্রস্তুত রাখে এবং যুদ্ধের সময় একমাত্র তাদের অংশগ্রহন নিশ্চিত। তাই বিশ্বের সব দেশেই সেনাসদস্যদের আলাদা শ্রদ্ধা আর সন্মানের চোখে দেখা হয়। প্রত্যেক তরুনই স্বপ্ন দেখে তার দেশের সেনাবাহিনীর সৈনিক হবার। আর তাই প্রতিবছর হাজার হাজার তরুন সেনাবাহিনীতে ভর্তির পরীক্ষায় অবতীর্ন হয়ে থাকে। কিন্তু সেনাসদস্য হবার জন্য একজন প্রার্থীর ভেতর কিছু বিশেষ মৌলিক বৈশিষ্ট থাকা আবশ্যক, আর রিক্রুটারদের কাজই হল হাজারো প্রার্থীদের ভীরে সেই বিশেষ মৌলিক বৈশিষ্টসম্পন্ন প্রার্থীকে খুজে বের করা। সঙ্গতকারনেই সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে ভর্তির পরীক্ষা অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। এজাতীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের পরিকল্পিত প্রস্তুতি নেয়া জরুরি, আর এমন প্রস্তুতির জন্য উপযুক্ত সহায়িকার গুরুত্বও অপরিসীম। …

বাংলাদেশে সৈনিক পদে ভর্তির জন্য কোন গাইড বা সহায়িকা এখনও আমার চোখে পড়েনি।… আমি নিশ্চিত তার এই উদ্যোগ একটি মাইলস্টোন হিসেবে স্বীকৃত হবে এবং এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সৈনিক হতে আগ্রহী অসংখ্য চাকরিপ্রার্থী তরুণ দারুণভাবে উপকৃত হবে।  পরিশেষে আমি বইটির লেখক এবং এর পাঠকদের জন্য জানাই আন্তরিক শুভকামনা

Quantity :
Compare

মেজর মো. দেলোয়ার হোসেন, পিএসসি ১৯৭১ সালের ২৯ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা লিয়াকত আলী খান এবং মাতা তাহমিনা ভুঁইয়া। মেজর দেলোয়ার বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজে লেখাপড়া শেষে ৪৫ তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সাথে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে যোগ দেন এবং রেজিমেন্ট অব আর্টিলারিতে কমিশন লাভ করেন।  ছাত্র হিসেবে তিনি মাধ্যমিকে কমার্স, উচ্চ মাধ্যমিকে সায়েন্স এবং স্নাতক পর্যায়ে আর্টস বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং প্রথম শ্রেণির ফলাফল অর্জন করেন। তিনি মিরপুর ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড এন্ড স্টাফ কলেজে হতে গ্র‍্যাজুয়েট। বর্তমানে তিনি চাকরির পাশাপাশি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালে পিএইচডি অধ্যয়নরত।

পেশাগত জীবনে মেজর দেলোয়ার একাধারে একজন আর্টিলারি অফিসার, একজন স্কুবা ডাইভার (ফ্রগ ম্যান), একজন ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস এক্সপার্ট এবং লেখক। সামরিক ইতিহাসবিদ, চিন্তাবিদ ও বিশ্লেষক এই লেখকের “আধুনিক দৃষ্টিকোণে সানজুর দ্য আর্ট অব ওয়ার” বইটির জন্য ‘সেনা পারদর্শিতা পদক’ প্রাপ্ত হন এবং বইটি সামরিক-বেসামরিক উভয় মহলে ব্যাপক সমাদৃত হয়। কাউন্টার ইনসার্জেন্সি অপারেশনে অংশ নিতে তিনি তিন তিন বার পার্বত্যাঞ্চলে কর্মরত ছিলেন এবং জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী হিসেবে দক্ষিণ সুদানে গমন করেন।ব্যক্তিগত জীবনে মেজর দেলোয়ার বিবাহিত এবং এক কন্যা সন্তানের জনক

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ বিশ্বের অন্যতম পেশাদার সেনাবাহিনী হিসেবে স্বীকৃত। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয়া এ সেনাবাহিনী আজ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে প্রধান অংশগ্রহনকারী। নিয়মিত সেনাসদস্যদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষন প্রদানের মাধ্যমে আজ আমাদের সেনাবাহিনী এই আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করেছে। কিন্তু পরিচর্যা যত উন্নতই হোক না কেন, সঠিক জাতের বীজ যদি নির্বাচন করা না হয় তাহলে ফলন যেমন কখনই ভাল হয় না; তেমনি খুব দুর্বল রিক্রুট কে যত উন্নত প্রশিক্ষনই দেয়া হোক না কেন তাকে আদর্শ পেশাদার সৈনিকে পরিনত করা অসম্ভব। তাই যে কোন পেশার মতই সেনাবাহিনীতেও রিক্রুটিং একটি অতীব গুরুত্বপুর্ন বিষয়।

সেনাবাহিনী যেকোন রাস্ট্রের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বের অন্যতম রক্ষাকবচ। রাস্ট্রের অস্তিত্ব যখন সংকটে, তখন শ্রেনী-পেশা নির্বিশেষে সবাই হয়ত একসময় দেশরক্ষার যুদ্ধে অংশগ্রহন করতে এগিয়ে আসে। কিন্তু পেশাগতভাবে একমাত্র সেনাসদস্যরাই প্রতিনিয়ত মাতৃভুমি রক্ষার জন্য নিজেদের প্রস্তুত রাখে এবং যুদ্ধের সময় একমাত্র তাদের অংশগ্রহন নিশ্চিত। তাই বিশ্বের সব দেশেই সেনাসদস্যদের আলাদা শ্রদ্ধা আর সন্মানের চোখে দেখা হয়। প্রত্যেক তরুনই স্বপ্ন দেখে তার দেশের সেনাবাহিনীর সৈনিক হবার। আর তাই প্রতিবছর হাজার হাজার তরুন সেনাবাহিনীতে ভর্তির পরীক্ষায় অবতীর্ন হয়ে থাকে। কিন্তু সেনাসদস্য হবার জন্য একজন প্রার্থীর ভেতর কিছু বিশেষ মৌলিক বৈশিষ্ট থাকা আবশ্যক, আর রিক্রুটারদের কাজই হল হাজারো প্রার্থীদের ভীরে সেই বিশেষ মৌলিক বৈশিষ্টসম্পন্ন প্রার্থীকে খুজে বের করা। সঙ্গতকারনেই সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে ভর্তির পরীক্ষা অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। এজাতীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের পরিকল্পিত প্রস্তুতি নেয়া জরুরি, আর এমন প্রস্তুতির জন্য উপযুক্ত সহায়িকার গুরুত্বও অপরিসীম। …

বাংলাদেশে সৈনিক পদে ভর্তির জন্য কোন গাইড বা সহায়িকা এখনও আমার চোখে পড়েনি।… আমি নিশ্চিত তার এই উদ্যোগ একটি মাইলস্টোন হিসেবে স্বীকৃত হবে এবং এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সৈনিক হতে আগ্রহী অসংখ্য চাকরিপ্রার্থী তরুণ দারুণভাবে উপকৃত হবে।  পরিশেষে আমি বইটির লেখক এবং এর পাঠকদের জন্য জানাই আন্তরিক শুভকামনা

ISBN-13:

978-984-8875-95-7

Publisher:

Adarsha

Pages:

80

Publication Year:

2016

Dimensions:

8.5×5.5×0.3 inch

Language:

Bengali

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “তোমাকেই খুঁজছে সেনাবাহিনী”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading...