Cart

Best Seller

ফেসবুকের সাত-সতের

Availability: In stock

৳ 150.00 ৳ 120.00

সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম এখন সারাবিশ্বেই তুমুল জনপ্রিয়। নানা ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দীর্ঘদিন ধরে চালু থাকলেও সারাবিশ্বে জনপ্রিয়তার শীর্ষে জায়গা করে নেয় ফেসবুক। ফেসবুকের যাত্রা শুরু হয় ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি। শুরুতে ‘দ্য ফেসবুক’ নামে থাকা সামাজিক যোগাযোগের এ সাইটটি বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়। ফেসবুক ইনকর্পোরেশনের মালিকানাধীন ফেসবুক ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে বন্ধু সংযোগ, বার্তা প্রেরণ, নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য হালনাগাদ করা, আদান-প্রদান করা এমনকি চাইলে ব্যবহারকারী নিজের শহর, কর্মস্থল, বিদ্যালয় এবং অঞ্চল ভিত্তিক নেটওয়ার্কেও যুক্ত হতে পারেন। মূলত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে যোগাযোগের বিষয়টিকে আরো সহজ করতে এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে জনপ্রিয় করে তুলতেই ফেসবুকের যাত্রা শুরু হয়। বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মার্ক জাকারবার্গ তার বন্ধু ও রুমমেট এডওয়ার্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিতস এবং ক্রিস হিউজেস’র যৌথ উদ্যোগে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজেদের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগের অংশ হিসেবে ফেসবুক তৈরি করেন। আর তাই প্রাথমিক ভাবে ফেসবুকের সদস্যরা সব ছিল হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে ছড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে ফেসবুকের ব্যবহারকারীর সংখ্যা। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ এমনটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যাদের বয়স ১৩ বছরের বেশি তাদের জন্যই উন্মুক্ত হয়ে যায় ফেসবুক। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কে অবস্থিত ফেসবুকের প্রধান কার্যালয়। ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত ফেসবুকের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৩০ কোটি। ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফেসবুক আনুষ্ঠানিক ভাবে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে শেয়ার বিক্রি শুরু করে।
ফেসবুকের এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে নানা ধরনের বাধার সম্মুখীন হয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন দেশে নিষিদ্ধও করা হয় ফেসবুককে। সিরিয়া, চায়না, ইরানসহ বেশ কয়েকটি দেশে এখনও এ অবস্থা চালু রয়েছে। ফেসবুক ব্যবহারের মাধ্যমে সময় অপচয় ব্যাখ্যা দিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মচারীদের নিরুৎসাহিত করে তা অফিসেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। এছাড়া ফেসবুক ওয়েবসাইটকে একাধিক আইন জটিলতায়ও পড়তে হয়েছে বেশ কয়েকবার। জাকারবার্গের সহপাঠীরাই একাধিকবার ফেসবুক তাদের সোর্সকোড চুরি করেছে এমন অভিযোগ করেছে

Quantity :
Compare

নুরুন্নবী চৌধুরী হাছিব

জন্ম: ১৩ এপ্রিল, চাঁদপুর

লেখালেখি করছেন ছোটবেলা থেকে। বাবা শরীফুল আলম চৌধুরী আর মা হাছিনা আলম। জন্ম চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার সরখাল গ্রামে। ঢাকায় পড়াশোনাকালীন সময় থেকেই লেখালেখির সঙ্গে জড়িত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সাথে। বর্তমানে দেশের শীর্ষ একটি দৈনিকের সাথে যুক্ত আছেন। প্রযুক্তির প্রতি ভালোলাগা থাকায় কাজও করছেন অনলাইন মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। লেখালেখি ছাড়াও জড়িত নানা ধরনের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে। আন্তর্জাতিক সংগঠন ওপেন নলেজ ফাউন্ডেশন নেটওয়ার্কের (ওকেএফএন) বাংলাদেশ অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন। আন্তর্জাতিক ব্লগিং প্লার্টফর্ম গ্লোবাল ভয়েস অনলাইনে নিয়মিত অনুবাদের সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি মজিলা বাংলাদেশ কমিউনিটিতেও কাজ করছেন। পাশাপাশি যুক্ত আছেন বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) গণিত অলিম্পিয়াড, বিজ্ঞান আন্দোলনসহ বিভিন্ন সংগঠনের সাথে। মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলনের সাথে কাজ করার পাশাপাশি কাজ করছেন মুক্ত বিশ্বকোষ উইকিপিডিয়াতেও। বর্তমানে বাংলা উইকিপিডিয়ার প্রশাসক এবং উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন।

লেখকের অন্যান্য বই

নানা কাজের মুক্ত সফটওয়্যার

বাংলা উইকিপিডিয়া কী এবং কেন

কাজের যত মোবাইল অ্যাপস

কম্পিউটার ব্যবহারের ৫৫৫ টিপস

সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম এখন সারাবিশ্বেই তুমুল জনপ্রিয়। নানা ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম দীর্ঘদিন ধরে চালু থাকলেও সারাবিশ্বে জনপ্রিয়তার শীর্ষে জায়গা করে নেয় ফেসবুক। ফেসবুকের যাত্রা শুরু হয় ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি। শুরুতে ‘দ্য ফেসবুক’ নামে থাকা সামাজিক যোগাযোগের এ সাইটটি বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়। ফেসবুক ইনকর্পোরেশনের মালিকানাধীন ফেসবুক ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে বন্ধু সংযোগ, বার্তা প্রেরণ, নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য হালনাগাদ করা, আদান-প্রদান করা এমনকি চাইলে ব্যবহারকারী নিজের শহর, কর্মস্থল, বিদ্যালয় এবং অঞ্চল ভিত্তিক নেটওয়ার্কেও যুক্ত হতে পারেন। মূলত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে যোগাযোগের বিষয়টিকে আরো সহজ করতে এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে জনপ্রিয় করে তুলতেই ফেসবুকের যাত্রা শুরু হয়। বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মার্ক জাকারবার্গ তার বন্ধু ও রুমমেট এডওয়ার্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিতস এবং ক্রিস হিউজেস’র যৌথ উদ্যোগে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজেদের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগের অংশ হিসেবে ফেসবুক তৈরি করেন। আর তাই প্রাথমিক ভাবে ফেসবুকের সদস্যরা সব ছিল হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে ছড়িয়ে পড়ে। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে ফেসবুকের ব্যবহারকারীর সংখ্যা। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ এমনটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যাদের বয়স ১৩ বছরের বেশি তাদের জন্যই উন্মুক্ত হয়ে যায় ফেসবুক। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কে অবস্থিত ফেসবুকের প্রধান কার্যালয়। ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত ফেসবুকের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৩০ কোটি। ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফেসবুক আনুষ্ঠানিক ভাবে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে শেয়ার বিক্রি শুরু করে।
ফেসবুকের এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে নানা ধরনের বাধার সম্মুখীন হয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন দেশে নিষিদ্ধও করা হয় ফেসবুককে। সিরিয়া, চায়না, ইরানসহ বেশ কয়েকটি দেশে এখনও এ অবস্থা চালু রয়েছে। ফেসবুক ব্যবহারের মাধ্যমে সময় অপচয় ব্যাখ্যা দিয়ে অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মচারীদের নিরুৎসাহিত করে তা অফিসেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। এছাড়া ফেসবুক ওয়েবসাইটকে একাধিক আইন জটিলতায়ও পড়তে হয়েছে বেশ কয়েকবার। জাকারবার্গের সহপাঠীরাই একাধিকবার ফেসবুক তাদের সোর্সকোড চুরি করেছে এমন অভিযোগ করেছে।

ISBN-13:

978-984-8875-02-5

Publisher:

Adarsha

Pages:

72

Publication Year:

2015

Dimensions:

8.5×5.5×0.6 inch

Language:

Bengali

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “ফেসবুকের সাত-সতের”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading...