Cart

Best Seller

শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধ

Availability: In stock

৳ 400.00 ৳ 320.00

একটি কথা তোমাকে বলব, তেমার গদ্য লেখার বেশ ভালো ক্ষমতা। এদিকটা যদি আরও অনেকখানি প্রসারিত কর…।’— জসীম উদ্দীন। লিখেছিলেন অনুজ কবি আল মাহমুদকে। জীবনানন্দের পর যাকে বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে শক্তিশালী কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।

কবি হিসেবেই আল মাহমুদের যাবতীয় সুখ্যাতি হলেও গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধেও তিনি কম গুরুত্ব বহন করেন না। জ্ঞানের প্রাথমিক শর্ত যে কা–জ্ঞান সেটা আল মাহমুদের গদ্য-প্রবন্ধে বেশ ভালোভাবেই উপস্থিত আছে। বাংলা সাহিত্যে আল মাহমুদের মতো ইতিহাসচেতন লেখক কদাচিৎ মেলে। তারা নানা প্রবন্ধে ইতিহাসচেতন বিবেচনাবোধের পরিচয় পাওয়া যায়।

সমকালীনরা যখন বয়সের আলস্যে মুখ থুবড়ে পড়েছেন আল মাহমুদ তখনও রয়েছেন তারুণ্যে উদ্দীপিত। নব্বই দশকের কবি ও কবিতা নিয়ে লেখা এ গ্রন্থে সংকলিত তার প্রবন্ধটিই এ কথার প্রমাণ। কবি, গল্পকার, ঔপন্যাসিক আল মাহমুদের পর এই সংকলনে আরেক আল মাহমুদকে পেয়ে পাঠক সমান তৃপ্ত হবেন বলেই আমাদের বিশ্বাস।

Quantity :
Compare

১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১১ জুলাই তিতাস-এর পলি বিধৌত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে আল মাহমুদ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম মীর আব্দুস শুকুর আল মাহমুদ। একুশ বছর বয়স পর্যন্ত এ শহরে এবং কুমিল্লা জেলার সাধনা হাই স্কুলে ও চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন। এ সময়েই ঢাকা ও কলকাতার বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকাগুলোতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হতে থাকে। বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত কবিতা পত্রিকায় তাঁর কবিতা প্রকাশিত হলে সমসাময়িক কবিমহলে তাঁকে নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত হয়। প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ লোক লোকান্তর (১৯৬৩)। লোক লোকান্তর ও কালের কলস— মাত্র এ দুটি কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯৬৮ সালে বাংলা একাডেমী পুরস্কারে ভূষিত হন। সোনালি কাবিন (১৯৭৩) তাকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছায়। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের পর তিনি গল্প লেখার দিকে মনোযোগী হন। ১৯৭৫ সালে তার প্রথম ছোট গল্পগ্রন্থ পানকৌড়ির রক্ত প্রকাশিত হয়। ১৯৯৩ সালে বের হয় তার প্রথম উপন্যাস কবি ও কোলাহল। আল মাহমুদ সাংবাদিক হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরে তিনি দৈনিক গণকন্ঠ পত্রিকায় সহকারী সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। সাহিত্যপ্রতিভার স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি একুশে পদকসহ বেশ কিছু সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। এর মধ্যে ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার, অগ্রণী ব্যাংক শিশুসাহিত্য পুরস্কার, ফররুখ স্মৃতি পুরস্কার ও জীবনানন্দ দাশ স্মৃতি পুরস্কার অন্যতম। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি পাঁচ পুত্র ও তিন কন্যার জনক। মরহুমা সৈয়দা নাদিরা বেগম তাঁর স্ত্রী

একটি কথা তোমাকে বলব, তেমার গদ্য লেখার বেশ ভালো ক্ষমতা। এদিকটা যদি আরও অনেকখানি প্রসারিত কর…।’— জসীম উদ্দীন। লিখেছিলেন অনুজ কবি আল মাহমুদকে। জীবনানন্দের পর যাকে বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে শক্তিশালী কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।

কবি হিসেবেই আল মাহমুদের যাবতীয় সুখ্যাতি হলেও গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধেও তিনি কম গুরুত্ব বহন করেন না। জ্ঞানের প্রাথমিক শর্ত যে কা–জ্ঞান সেটা আল মাহমুদের গদ্য-প্রবন্ধে বেশ ভালোভাবেই উপস্থিত আছে। বাংলা সাহিত্যে আল মাহমুদের মতো ইতিহাসচেতন লেখক কদাচিৎ মেলে। তারা নানা প্রবন্ধে ইতিহাসচেতন বিবেচনাবোধের পরিচয় পাওয়া যায়।

সমকালীনরা যখন বয়সের আলস্যে মুখ থুবড়ে পড়েছেন আল মাহমুদ তখনও রয়েছেন তারুণ্যে উদ্দীপিত। নব্বই দশকের কবি ও কবিতা নিয়ে লেখা এ গ্রন্থে সংকলিত তার প্রবন্ধটিই এ কথার প্রমাণ। কবি, গল্পকার, ঔপন্যাসিক আল মাহমুদের পর এই সংকলনে আরেক আল মাহমুদকে পেয়ে পাঠক সমান তৃপ্ত হবেন বলেই আমাদের বিশ্বাস।

 

ISBN-13:

978-984-8875-27-8

Publisher:

Adarsha

Pages:

238

Publication Year:

2014

Dimensions:

8.5×5.5×0.6 inch

Language:

Bengali

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধ”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading...