Best Seller

বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হচ্ছিল

Availability: In stock

৳ 750.00 ৳ 600.00

১৯৭১ সালে কী ঘটেছিল? বিশাল এক রাজনৈতিক, সামরিক, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল উপমহাদেশে যার নিয়ন্ত্রণে ছিলেন একাধিক পরাশক্তি। এই প্রক্রিয়ার দুই দুটি পর্যায় ছিল। প্রথম পর্যায়ে একটি পরাশক্তিও— এমনকি ভারত এবং সোভিয়েত রাশিয়াও বাংলাদেশের জন্মের পক্ষে ছিল না, কারণ তারা ভেবেছিল, বাংলাদেশের জন্ম হলে ক্ষমতার আঞ্চলিক ভারসাম্য ওলটপালট হয়ে যাবে। তারপর, দ্বিতীয় পর্যায়ে, সবাই যখন বুঝে গেল যে বাংলাদেশের জন্ম কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না, তখন পরাশক্তিগুলো একে একে বাংলাদেশ সঙ্কটে হস্তক্ষেপ করতে এগিয়ে এসেছিল। তাদের ইচ্ছায় বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হয়ে গিয়েছিল, কারণ তারা চাইছিলেন না, কোনো ফলের মতো বেশি পেকে পঁচে গিয়ে যুদ্ধটি আপোসহীন, চরমপন্থী, কট্টর হয়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাক। মুক্তিযুদ্ধের নেপথ্যের বহু অজানা কাহিনিসহ উপমহাদেশে মুসলমান ও বাঙালি জাতীয়তাবাদদের উত্থান এবং কমিউনিস্ট আন্দোলনের বিকাশের বিশদ বর্ণনা আছে বর্তমান পুস্তকে।

Quantity :

Bernard Henri-Lévy (বের্নার অঁরি লেভি, সংক্ষেপে B.H.L.) ফ্রান্সের Ecole Normale Supérieure এর সেরা ছাত্রদের একজন। এই স্কুলে তাঁর শিক্ষকদের মধ্যে ছিলেন সাম্প্রতিক কালের বিখ্যাত দার্শনিক Jacques Derrida এবং Louis Althusser। তিনি একজন সফল বুদ্ধিজীবী, সফল সাংবাদিক, সফল শিক্ষক, সফল তথ্যচিত্রনির্মাতা, সফল গবেষক, সফল কূটনীতিক, বহু পুসত্মকের রচয়িতা (যার মধ্যে একাধিক বহুবিক্রিত, ইওরোপ এবং আমেরিকায়), সফল ব্যবসায়ী, ফ্রান্সের অন্যতম ধনাঢ্য ব্যক্তি এবং সুপুরম্নষ (সর্বার্থে)… এক কথায় একজন অতিসফল মানুষ। ফ্রান্সে ‘নব দার্শনিক’দের (Nouveaux Philosophes) অন্যতম বলে মনে করা হয় তাঁকে। অঁদ্রে মালরোর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসে তিনি মাত্র ২৩ বৎসর বয়সে বাংলাদেশে এসেছিলেন যুদ্ধের রিপোর্টার হিসেবে। যুদ্ধশেষে বাংলাদেশ সরকারের জন্যেও কাজ করেন কিছুদিন। ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত বর্তমান পুস্তক লেভির উপমহাদেশ তথা বাংলাদেশে অবস্থানের অভিজ্ঞতার অনুপ্রেরণায় রচিত।

শিশির ভট্টাচার্য্যের জন্ম ১৯৬৩ সালে, চট্টগ্রামে। প্যারিসের সর্বোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভারততত্ত্ব (১৯৮৫-১৯৮৮) ও ভাষাবিজ্ঞানে (১৯৯২-১৯৯৫) স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়েছেন। মন্ট্রিয়ল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাবিজ্ঞানে পি.এইচ.ডি. (২০০৭) করার পর টোকিওর রাষ্ট্রভাষা ইনস্টিটিউটে পোস্টডক্টরাল গবেষণা (২০০৮-১০) সমাপ্ত করেছেন। পেশায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মুখ্য নেশা বাংলা ব্যাকরণ চর্চা ও ভাষাবিজ্ঞানের পাঠদান। গৌন নেশা অনুবাদ, গদ্য ও পদ্যের, ফরাসি/ইংরেজি থেকে বাংলায়। ভাষা ও ব্যাকরণসহ বহু বিচিত্র বিষয়ে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্ত্মর্জাতিক জার্নাল ও লিটল ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে খান চলিস্নশেক প্রবন্ধ। প্রকাশিত পুস্তক: আপোলিন্যারের কবিতা (১৯৯০), র্যা বোর কবিতা (১৯৯১, পুনঃপ্রকাশ: ২০১৪), Bhagwan et son monde orange (১৯৯১), জীবনানন্দের কবিতার ফরাসি অনুবাদ (১৯৯১), সঞ্জননী ব্যাকরণ (১৯৯৮), জার্মানি থেকে প্রকাশিত Word Formation in Bengali : A Whole Word Morphological Description and its Theoretical Implications (২০০৭), অন্তরঙ্গ ব্যাকরণ (২০১৩), ঈশ্বর-ধর্ম-বিশ্বাস (২০১৪), বাংলা ব্যাকরণের রূপরেখা (২০১৬), বাংলা ভাষা: প্রকৃত সমস্যা ও পেশাদারী সমাধান (২০১৬), Basics of Language and Linguistics in 100 questions (2016)।

১৯৭১ সালে কী ঘটেছিল? বিশাল এক রাজনৈতিক, সামরিক, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল উপমহাদেশে যার নিয়ন্ত্রণে ছিলেন একাধিক পরাশক্তি। এই প্রক্রিয়ার দুই দুটি পর্যায় ছিল। প্রথম পর্যায়ে একটি পরাশক্তিও— এমনকি ভারত এবং সোভিয়েত রাশিয়াও বাংলাদেশের জন্মের পক্ষে ছিল না, কারণ তারা ভেবেছিল, বাংলাদেশের জন্ম হলে ক্ষমতার আঞ্চলিক ভারসাম্য ওলটপালট হয়ে যাবে। তারপর, দ্বিতীয় পর্যায়ে, সবাই যখন বুঝে গেল যে বাংলাদেশের জন্ম কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না, তখন পরাশক্তিগুলো একে একে বাংলাদেশ সঙ্কটে হস্তক্ষেপ করতে এগিয়ে এসেছিল। তাদের ইচ্ছায় বাঙালির মুক্তিযুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হয়ে গিয়েছিল, কারণ তারা চাইছিলেন না, কোনো ফলের মতো বেশি পেকে পঁচে গিয়ে যুদ্ধটি আপোসহীন, চরমপন্থী, কট্টর হয়ে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাক। মুক্তিযুদ্ধের নেপথ্যের বহু অজানা কাহিনিসহ উপমহাদেশে মুসলমান ও বাঙালি জাতীয়তাবাদদের উত্থান এবং কমিউনিস্ট আন্দোলনের বিকাশের বিশদ বর্ণনা আছে বর্তমান পুস্তকে।

ISBN-13:

978-984-92660-7-5

Publisher:

Adarsha

Pages:

392

Publication Year:

2017

Dimensions:

8.5×5.5×1.5 inch

Weight:

600

Language:

Bengali

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হচ্ছিল”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Loading...